“Review of Volume 16 of Khairuddin Barbarossa: The Sultan’s Order”

Khairuddin imprisoned the Barbarossa Emperor and Darya, while Ali imprisoned Maria alongside them. Despite being captured, the soldiers outside the fort remained unaware. Khairuddin had intended to conquer the fort, but the presence of numerous outside troops made it difficult.

To overcome this obstacle, Khairuddin devised a plan to destroy the entire fort by filling a tunnel beneath it with gunpowder, which would explode upon impact from a shell. However, Khairuddin did not want innocent people to be harmed and came up with an alternative plan. He sent Batista to the pastor to evacuate the people.


In the meantime, Gensari Pasha was captured by Ibrahim Pasha and detained alongside him by Araz Pasha, who suspected Ayaz Pasha of aiding Gensari Pasha. Ibrahim Pasha wanted Ayaz Pasha to explain why he helped Gensari Pasha, so Ayaz Pasha provided a document from Gensari Pasha as evidence. Upon reading it, Ibrahim Pasha discovered that it was not proof, but rather a poem against him. Furious, Ibrahim Pasha tasked Ayaz Pasha with identifying the poem’s author.

Meanwhile, Khairuddin Barbarossa discovered that Luna was searching for a map and was initially concerned. However, he saw an opportunity to formulate a plan to conquer the castle and shared it with Luna. As Turgut Reyes prepared for the attack with his cannons, Khairuddin intervened and prevented the impending destruction, thus averting a more significant threat.


Khairuddin Barbarossa needed to obtain the map, and thus he devised a plan with Luna, which involved imprisoning her and having her interact with Maria to gain her trust. Luna managed to obtain the map’s location, but the information proved unreliable as the paper appeared blank when Khairuddin Barbarossa examined it the following morning. He was incensed by this discovery.

Luna insisted that there was indeed a map, prompting Khairuddin Barbarossa to consult with a map expert. The expert explained that the map was created using invisible ink that could only be revealed under specific lighting conditions, and any mistake could destroy the map forever. Believing in the expert, Khairuddin Barbarossa entrusted him with the task of deciphering the map and prepared to attack the fort. Meanwhile, Turgut Reis signaled for the people to evacuate the fort.


Meanwhile, Shahsuwar Hatun’s brother Ayaz Pasha no longer trusted her as he learned from his daughter that she had urged her to leave the palace before the attack. This made him suspect her involvement in the plot and caused him to distance himself from her. Shahsuwar Hatun began working for Ibrahim Pasha, but as her brother was secretly planning against him, she couldn’t provide any further information.

Ayaz Pasha’s daughter, however, handed over information to Shahsuwar Hatun that could be used against her father. The original proof against Ibrahim Pasha was not delivered to him, and it was revealed that the evidence was with Shahsuwar Hatun, who was the sister of Ayaz Pasha and Ibrahim Pasha’s confidant.


Yahya Effendi is in possession of the proof, but he cannot enter the palace to deliver it to the Sultan because Ibrahim Pasha has occupied it. He decides to invite the Sultan to his dargah in secret, begging him to come alone. When Ibrahim Pasha finds out about the invitation, he questions the Sultan about it, but the Sultan simply tells him it was a secret invitation and that he won’t be going because he has been called towards Mustakim in Sirat. Ibrahim Pasha understands who called the Sultan and decides to go to the dargah, assuming that the Sultan will be present when he arrives.

Upon reaching the dargah, Ibrahim Pasha is shocked to see the Sultan there. The Sultan demands to know what the evidence is that Ibrahim Pasha is afraid of, and Yahya Effendi hands over the proof. The Sultan reads it and accuses Ibrahim Pasha of killing Cheleby in an unfair manner. However, Ibrahim Pasha denies this, claiming that he has evidence to prove that he did not kill Cheleby unfairly. He reveals that he betrayed Genissari Pasha and executed him, but later forgave him. To prove his point, he presents Genissari Pasha and asks him to tell the Sultan everything.


In this way, Yahya Effendi successfully delivers the proof to the Sultan, and the truth is revealed about the death of Cheleby. Ibrahim Pasha’s claim that he did not kill Cheleby unfairly is supported by his betrayal of Genissari Pasha, which proves his loyalty to the Sultan.

Gensari Pasha confessed to the Sultan that he and Chelebi Pasha had disobeyed orders together, much to the surprise of Yahya Effendi. However, it was later revealed that Ibrahim Pasha had coerced Gensari Pasha to make this false confession by imprisoning his family and promising him a new life in exchange for the confession. Despite this, the Sultan forgave Ibrahim Pasha and let him go.


Meanwhile, Luna shared her plans with her friend Marcela and a loyal soldier, who then told Maria about the plans. Maria became angry and wanted to harm Luna, but the soldier promised to stop her and protect Luna. The soldier also revealed that Barbarossa planned to save Maria’s people, suggesting that he had good intentions.

At this point in the story, Maria devises a plan to take back the Emperor and Darya, which involves imprisoning and torturing people. She gathers them all together and holds a coral over their heads, putting their lives at risk. Meanwhile, Khairuddin Barbarossa arrives at the fort with the Emperor, Darya, and other prisoners. However, Luna’s soldier, who was given a poisoned arrow by Maria, points it at Khairuddin Barbarossa from the top of the castle wall.


This concludes the current volume of the story, leaving many questions unanswered. Will Khairuddin Barbarossa survive the poisoned arrow? Will they be able to find a map and occupy the castle? Can the prisoners be saved? And what will happen to Ibrahim Pasha and Yahya Effendi? The answers to these questions will be revealed in the upcoming Orders of Khairuddin Barbarossa Sultan Volume 17.

In Volume 16 of Khairuddin Barbarossa: The Sultan’s Order, the plot thickens as the characters face new challenges and betrayals. Yahya Effendi, in possession of crucial proof, invites the Sultan to his dargah in secret to reveal it. But Ibrahim Pasha, occupying the palace, becomes suspicious and confronts the Sultan. Ultimately, the evidence is revealed, leading to a shocking revelation about Chelebi Pasha’s death.


Meanwhile, Luna’s loyalty to Barbarossa is tested as she reveals his plans to her friend Marcela, who then informs Maria. Maria devises a plan to reclaim the Emperor and Darya by imprisoning and torturing innocent people and even tries to assassinate Barbarossa with a poisoned arrow. The volume ends on a cliffhanger, leaving readers to wonder about the fates of the characters and the ultimate outcome of the plot.

Overall, Volume 16 is an exciting continuation of the series, with twists and turns that keep the reader engaged. The characters continue to develop and reveal new sides of themselves, and the plot remains unpredictable. Fans of the series will not be disappointed, and new readers will find themselves drawn into the world of Khairuddin Barbarossa and his complicated relationships with those around him.

“খাইরুদ্দিন বারবারোসাঃ সুলতানের আদেশ

বাংলা সাবটাইটেল”

ভলিউম ১৬ এর রিভিউ!

খাইরুদ্দিন বারবারোসা সম্রাট এবং দরিয়াকে বন্দি করেছে, এদিকে আলীকে দিয়ে মারিয়াকে এনে একসাথে বন্দি করিয়েছে। তাদেরকে বন্দী করা হলেও দুর্গের বাহিরে যত সৈন্য আছে তারা কেউ এ খবর জানে না। কেউ টের না পাওয়া মতো খাইরুদ্দিন বারবারোসা চাচ্ছিলেন দূর্গ টি জয় করে নিতে, কিন্তু বাহিরের সৈন্যদের আনাগোনা অনেক ছিল। তাই খাইরুদ্দিন বারবারোসা একটি পরিকল্পনা করেন। 

তিনি তুরগুত বে কে পাঠিয়ে পুরো দুর্গের নিচে যে সুরঙ্গ রয়েছে সেটিতে বারুদ ভরে দেন। এতে করে একটি গোলা নিক্ষেপ জমিনে মারার সাথে সাথে পুরো দুর্গ বিস্ফোরিত হবে। কিন্তু খাইরুদ্দিন বারবারোসা কোন মাজলুমের ক্ষতি হোক তা কখনোই চান না। তাই তিনি এই পরিকল্পনাটির সাথে সাথে আরেকটি পরিকল্পনা করেন। তিনি বাতিস্তাকে পাদ্রী এর কাছে পাঠান। এবং বলে দেনঃ জনগণকে সরিয়ে নিতে।


এদিকে জেনেসারি পাশা কে ইব্রাহিম পাশা বন্দী করেন এবং তার সাথে আরাজ পাশা কেও বন্দি করেন। কারণ আয়াজ পাশা জেনেসারি পাশা কে সাহায্য করছিলেন। এবং ইব্রাহিম পাশা আয়াজ পাশা থেকে জেনেসারি পাশা কে সাহায্য কেন করেছে তার জবাবদিহি চান। এবং এরপর তিনি জেনেসারি পাশা থেকে পাওয়া প্রমান পরার জন্য আয়াজ পাশাকে দেন, আয়াজ পাশা তা পড়েন, কিন্তু মূলত সেটি প্রমান ছিল না,

প্রমান টি ইয়াহিয়া এফেন্দি কে আগেই দিয়ে দেন জেনেসারি পাশা। এবং তার কাছে যে প্রমান টি রাখেন এটি মূলত ইব্রাহিম পাশা এর বিপক্ষে একটি কবিতা ছিল। কবিতায় ইব্রাহিম পাশা কে বৎশনা করা হয়। এতে ইব্রাহিম পাশা অনেক রাগান্বিত হোন। এবং এটি কে লিখেছে তা বের করার জন্য দায়িত্ব দেন আয়াজ পাশা কে।

এদিকে লুনা যে ম্যাপ খুঁজছে বিষয়টি জানতে পারেন খাইরুদ্দিন বারবারোসা, তিনি শুরুতে একটু চিন্তায় পড়ে গেলেও পরে এটি একটি সুযোগ নিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করেন। খাইরুদ্দিন বারবারোসা পরিকল্পনাটি লুনার সাথে শেয়ার করেন। এবং দুর্গ জয়ের একটি পথ খুঁজে পান। কিন্তু এদিকে তুরগুত রেইস আক্রমণের প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিলেন এবং কামান নিয়ে এসেছেন। কিন্তু তিনি কামান থেকে বোমা নিক্ষেপের একটু আগেই খাইরুদ্দিন বারবারোসা এসে থামিয়ে দেন, এবং অনেক বড় একটি বিপদ থেকে রক্ষা করেন।


এদিকে খাইরুদ্দিন বারবারোসা এর মানচিত্রটি পাওয়া দরকার তাই তিনি লুনার সাথে একটি পরিকল্পনা করেন। তিনি লুনাকে বন্দী করেন। এবং মারিয়ার সাথে মিশে যেতে বলেন। মারিয়ার বিশ্বাস অর্জন করতে বলেন। লুনা তাই করে এবং মারিয়া লুনাকে মানচিত্র এর স্থান বলে। কিন্তু পরিপূর্ণ বলে দেয় না। তাই বিষয়টি এমন হয় যে, মানচিত্র কাগজে দেখতে পাই লুনা, কিন্তু সকালে যখন খাইরুদ্দিন বারবারোসা কে দেখাতে নিয়ে যায়, কাগজটি খালি দেখা যায়। খাইরুদ্দিন বারবারোসা কাগজটি খালি দেখে খুব রাগান্বিত হন।

কিন্তু লুনা বলেন এখানে সত্যিই মানচিত্র ছিল। খাইরুদ্দিন বারবারোসা মানচিত্র গবেষককে ডেকে বিষয়টি দেখালে। গবেষক বলেঃ এটি আলোর মধ্যে পুস্পলিত হয়, এবং এর জন্য একটি নকল কালি রয়েছে তা প্রয়োজন। এছাড়া এটিতে যদি আমরা একটি ভুলও করি তাহলে আর কখনো এই মানচিত্র দেখতে পাবো না। খাইরুদ্দিন বারবারোসা গবেষক এর উপর বিশ্বাস রেখে তাকে এটি সমাধান করার দায়িত্ব দিয়ে দেন। এবং দুর্গে আক্রমণ করার প্রস্তুতি নেন। এদিকে তুরগুত রেইস জনগণকে ইশারা পাঠিয়ে দেই যাতে তারা দুর্গ থেকে সরে যায়।

অপরদিকে শাহসুওয়ার হাতুনকে তার ভাই আয়াজ পাশা আর বিশ্বাস করে না। কারণ সে তার মেয়ে থেকে জানতে পেরেছে যে হামলার সময় তার বোন তার মেয়েকে প্রাসাদ থেকে চলে যেতে বলেছিল। এর মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট বুঝতে পারেন এগুলোর পিছনে তার বোনের হাত রয়েছে। তাই তিনি তার উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। এবং তার থেকে দূরে থেকে কাজ এবং পরিকল্পনা করেন। শাহসুওয়ার হাতুন ইব্রাহিম পাশা এর জন্য কাজ করে। কিন্তু এখন আর কোন তথ্য এনে দিতে পারছে না।

কারণ তার ভাই তার থেকে লুকিয়ে পরিকল্পনা ও কাজ করছে, তাই সে তার ভাতিজিকে লোভ দেখিয়ে তার যা চায় তা দিয়ে তথ্যের কাজে লাগিয়ে দেই বাবার বিপক্ষে। এবং আয়াজ পাশা এর মেয়ে আয়াজ পাশা থেকে তথ্য বের করে শাহসুওয়ার হাতুন কে দেয়। তথ্যটি হচ্ছে এটি যে, মূলত আসল প্রমানটি কিন্তু ইব্রাহিম পাশা এর হাতে পৌঁছাইনি, তাহলে এই প্রমান কোথায়? আসলে এই প্রমান যে ইয়াহিয়া এফেন্দি এর কাছে আছে তা আয়াজ পাশা এর মেয়ে আয়াজ পাশা এর বোনকে বলে, এবং আয়াজ পাশা এর বোন অর্থাৎ শাহসুওয়ার হাতুন ইব্রাহিম পাশা কে বলে দেয়।

এদিকে প্রমান টি ইয়াহিয়া এফেন্দি এর নিকট। তিনি তাই খুব চিন্তিত। প্রমান টি সুলতান পর্যন্ত কিভাবে পৌঁছাবেন? তিনি প্রাসাদে প্রবেশ করতে পারছেন না। কারণ প্রাসাদ ইব্রাহিম পাশা এর দখলে। তাই তিনি চিন্তা করে নেন তিনি সুলতানের কাছে পৌঁছাতে না পারলে, সুলতানকে তার কাছে পৌঁছাবেন। অর্থাৎ সুলতানকে আমন্ত্রণ জানাবেন। এবং তিনি তাই করেন।

সুলতান কে তিনি তার দরগায় আমন্ত্রণ জানান। আমন্ত্রণটি গোপনে জানান। এবং একা আসার জন্য সুলতানকে অনুরোধ করেন। ইব্রাহিম পাশা বিষয়টি জানলে সুলতানের নিকট গিয়ে প্রশ্ন করেন? আমি কি কোন ভুল করেছি? যে আপনি আপনার আমন্ত্রণ সম্পর্কে আমাকে জানাননি। তখন সুলতান বলেন বিষয়টি গোপন। ইব্রাহিম পাশা জিজ্ঞেস করেন? কে? যার কাছে আপনি গোপন বিষয়ে জন্য যাচ্ছেন? তখন সুলতান বলেন আমি যাচ্ছি না আমাকে তারা সিরাতে মুস্তাকিমের দিকে ডাকছে। কথাটি শুনে ইব্রাহিম পাশা অনেকটা বুঝে যায়, যে কারা সুলতান কে ডেকেছে।

ইব্রাহিম পাশা তাই দরবেশ ইয়াহিয়া এর দরগায় পৌঁছে যান। এবং তাদেরকে জিজ্ঞেসা বাদ করবেন এমন সময় সুলতান উপস্থিত হোন। সুলতান কে দেখে ইব্রাহিম পাশা ভরকে যান। সুলতান জানতে চান এই প্রমাণ এমন কি যাকে তুমি এত ভয় পাচ্ছ? এদিকে ইয়াহিয়া এফেন্দি সুলতানের হাতে প্রমাণটি দেয়। সুলতান প্রমান টি পড়েন। এবং বলেন যে “তুমি অন্যায় ভাবে চেলেবি কে হত্যা করেছো?”

“খাইরুদ্দিন বারবারোসাঃ সুলতানের আদেশ

তখন ইব্রাহিম পাশা তা অস্বীকার করেন। এবং বলেন আমার কাছে প্রমাণ রয়েছে যে আমি তাকে অন্যায় ভাবে হত্যা করিনি। তার সাথে একইভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করা জেনেসারি পাশা আমার প্রমান, যাকে আমি মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলাম। তবে আপনাকে সত্য দেখানোর জন্য আমি তাকে পরবর্তীতে ক্ষমা করে দিয়েছি। তখন ইব্রাহিম পাশা জেনেসারি পাশা কে উপস্থিত করেন, এবং তাকে জিগ্যেস করেন সুলতান কে সব খুলে বলো?

তখন জেনেসারি পাশা তার চেহারা পাল্টিয়ে ফেলে এবং সুলতানকে বলে আমি ও চেলেবি পাশা একসাথে আদেশ অমান্য করেছি। আমাকে ক্ষমা করে দিন সুলতান। বিষয়টি দেখে ইয়াহিয়া এফেন্দি পুরো অবাক হয়ে যান। এবং জিজ্ঞেস করেন “ছেলে তুমি কি বলছো?” তখন সে বলে আমি যা সত্য তা বলছি। দৃশ্য পরিবর্তন হলে, আমরা বুঝতে পারি মূলত এর আগের রাতে ইব্রাহিম পাশা জেনেসারি পাশা এর জেলখানায় গিয়ে, তার পরিবারকে বন্দী করা। এবং তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার বিষয়টি জানাই। এবং বলেন আমি তোমাকে একটা নতুন জীবন দিব, তোমাকে ক্ষমা করে দিব এবং তোমার পরিবার দায়িত্ব নেব। তুমি এমনটা করবে। এজন্যই জেনেসারি পাশা এই কাজটি করেন।

এদিকে লুনা তার বান্ধবী মার্সেলা কে বলে যে সে বারবারোসা এর সাথে আছে, তারা যে পরিকল্পনা করছে তা বলে, আর এটি শুনে নেই লুনা এর অনুগত সৈনিক। এবং এই বিষয়টি সেই সৈনিক গিয়ে মারিয়াকে বলে দেয়। মারিয়া রাগান্বিত হয়ে লুনাকে হত্যা করার জন্য চায়। কিন্তু সেই সৈনিক তা হতে দিবে না বলে দেয়, কারণ সেই সৈনিক বারবারোসা এর সাথে একমত হোক সেটি সে চায় না, কিন্তু লুনা এর কোন ক্ষতি হতে সে দিবে না। এবং সেই সৈনিক আরো একটি বিষয় মারিয়া কে জানাই আর সেটি হচ্ছে, বারবারোসা তার জনগণকে বাঁচাতে চায়।

বিষয়টি জেনে মারিয়া একটি পরিকল্পনা করে। আর তা হচ্ছে জনগণকে সে বন্দী করে। এবং তাদের জীবনের মূল্যে সম্রাট এবং দরিয়াকে সে ফিরিয়ে নিতে চায়। সে সব জনগণকে অত্যাচার করে। এবং সবাইকে একত্রিত করে তাদের মাথায় কোরাল ধরে। বিষয়টি জেনে খাইরুদ্দিন বারবারোসা সম্রাট এবং দরিয়া এবং অন্যান্য বন্দিদের কে নিয়ে দুর্গে চলে আসে। এদিকে দুর্গের দেওয়ালের উপর থেকে লুনা এর সেই সৈনিক একটি বিষাক্ত তীর খাইরুদ্দিন বারবারোসা এর দিকে তাক করে, যেটি মূলত মারিয়া তাকে দিয়েছে খাইরুদ্দিন বারবারোসা কে মারার জন্য।

এই সমস্ত ঘটনার মাধ্যমে ভলিউমটি এখানে শেষ হয়, খাইরুদ্দিন বারবারোসা সুলতানের আদেশ ভলিউম ১৭ তে আমরা উত্তর পেতে যাচ্ছি, সেই বিষাক্ত তীর থেকে খাইরুদ্দিন বারবারোসা কি মুক্তি পাবে? মানচিত্র এর মধ্যে থাকা ম্যাপ কি খুঁজে পাওয়া যাবে? দুর্গটি কি দখল করা যাবে? বন্দিদেরকে কি বাঁচানো যাবে? এবং ইব্রাহিম পাশা এর কি হবে? ইয়াহিয়া এফেন্দি এর কি হবে?


Please enter your comment!
Please enter your name here