Review of Kurulus Osman Vol. 126:

In the latest episode of Kurulus Osman, tension rises as Ismihan summons Sultan Naiman to the Seljuk palace, leading to the disruption of Osman Bey’s plan. Chaos ensues as a fierce battle erupts within the palace walls, with Alpra, Beya, and Osman Bey displaying remarkable bravery. However, their efforts are in vain as they are ultimately defeated by the enemy and captured.

The defeated warriors find themselves imprisoned; their hopes seemingly shattered. In the depths of his confinement, Osman Bey turns to prayer, seeking solace and guidance from Allah. In a surprising turn of events, Sultan Alauddin Osman pays a visit to the imprisoned Bey, seeking to understand the motivations behind his rebellion. Osman Bey resolutely expresses that he fought for truth and aimed to put an end to tyranny.


With Osman Bey locked away, the palace tightens its security measures, ensuring that no one can rescue him. The city itself becomes heavily guarded, leaving no room for any potential saviors. As night falls, the morning brings a grim scene as everyone is gathered in the palace courtyard, awaiting their imminent execution. Ismihan orchestrates this public display of death, intending to strike fear into the hearts of any potential rebels, ensuring that no uprising will challenge her authority again.

In this episode, Kurulus Osman continues to captivate viewers with its intricate storyline and high-stakes conflicts. The relentless struggle between good and evil takes center stage as Osman Bey and his loyal allies face seemingly insurmountable odds. As the tension builds, viewers are left eagerly anticipating the next installment to witness how the courageous warriors will overcome their dire circumstances and restore justice in the face of tyranny.


In a stunning development, Osman Bey finds himself stripped of his identity, setting the stage for a grim fate. Rather than immediate execution, a more elaborate plan is devised to publicly kill him in the presence of the people and influential commanders. Thus, Ismihan orders the presence of Osman Bey and Sultan Masud before the executioners.

Osman Bey and Sultan Masud stand on the precipice of martyrdom, taking their final breaths. However, a glimmer of hope emerges with the arrival of Bala Hatun and Esrigun Banu Hatun, the esteemed spiritual daughter of Gazan Khan and his most accomplished commander. Prior to their arrival, Osman Bey had penned a letter to Gazan Khan, providing a detailed account of the dire situation. In response, Gazan Khan dispatched his daughter’s counterpart, Esrigun Banu Hatun, to aid in their struggle.

Bala Hatun reunites with Osman Bey, fortifying their alliance. Meanwhile, Esrigun Banu Hatun displays her prowess by saving the son of a tavern owner from a group of bandits. Just in the nick of time, Bala Hatun and Esrigun Banu Hatun arrive to rescue Osman Bey. At the same time, two soldiers loyal to Sultan Masud, under the command of Kurkmaz, discreetly equip themselves with small hidden knives.

Swiftly, they sever the enclosure and launch an assault on the battlefield. Osman Bey showcases his exceptional skill, wielding an axe with awe-inspiring prowess. This time, Osman Bey emerges victorious, inflicting a devastating defeat upon the enemy forces. Unable to withstand the onslaught, Sultan Alauddin, Ismihan Sultan, and Naiman are compelled to flee from the battlefield.


Under the orders of Osman Bey and Gazan Khan, Sultan Masud ascended to the Seljuk throne. Prior to this, Sultan Masud had a conversation with Osman Bey, expressing his desire to bestow all Seljuk power upon him. In exchange, he promised to send a significant number of weapons and ammunition to support Osman Bey. Sultan Masud instructed his commanders to fulfill this promise.

As the commanders advanced towards the border with weapons and artillery from Konya, they were unexpectedly attacked and defeated by the forces of Naiman and Bursa Tekfur. This posed a challenge for the impending assault on Osman Bey’s fortress, Kaprihisa. However, Osman Bey, accompanied by his resolute soldiers, launched a counterattack, besieging the fort and eliminating its commander.

Meanwhile, while Osman Bey was in Konya, Bursa Tekfur initiated successive attacks on the settlements along the border. One of these settlements was Kargin, where Osman Bey’s nephew resided. Bursa Tekfur invaded Kargin, resulting in numerous casualties, including the martyrdom of countless children and the wounding of Al Chichik Hatun, Aisha Hatun, Bengi Hatun, and Osman Bey’s nephew, Aktemur.


Aktemur valiantly fought until the end. Thanks to the skilled treatment by Qumral Abdal, he managed to survive and regain some strength, narrowly escaping death. When Osman Bey visited Aktemur, the latter felt rejuvenated and apologized to his uncle for not being able to protect the entrusted deposit or save the oppressed.

Meanwhile, Sultan Alauddin, Naiman, Ismihan, and Tekfur Valens came together to devise a joint plan. Ishmihan Sultan and Sultan Alauddin departed from Naiman’s headquarters, pledging to assemble a formidable army. Naiman and Bursa Tekfur celebrated their successful blow against Osman Bey.

Upon Osman Bey’s return from Konya, he received joyful news from Malhun Hatun: she was pregnant, meaning Osman Bey was going to be a father again. Overwhelmed with happiness, Osman Bey declared that he had received many news, but none had made him as joyful as this.

With these events, Kurulus Osman Volume 126 concludes. In the next volume, Kurulus Osman Vol. 127, we will discover the plans of Naiman and Bursa Tekfur moving forward. Did Osman Bey successfully conquer the fortress of Caprihisa?

Server 1
Server 2


কুরুলুস উসমান ভলিউম ১২৬ এর রিভিউ বাংলায়!

ইসমিহান সুলতান নাইমানকে সেলজুক প্রাসাদে ডাকে এবং সে এসে উসমান বে’য়ের পরিকল্পনা নষ্ট করে দেয়। প্রাসাদে যুদ্ধ বেধে যায়, যেখানে আল্পরা এবং বেরা ও উসমান বে সাহসীকতার সাথে লড়াই করেন, কিন্তু শত্রুদের কাছে শেষ পর্যন্ত পরস্ত্র হয়ে তারা সবাই বন্দী হোন।

সবাইকে জেলখানায় বন্দি করা হয়। জেলখানায় থাকা অবস্থায় উসমান বে আল্লাহর কাছে অনেক আকুতির সাথে দোয়া করেন। এমন সময় লুকিয়ে সুলতান আলাউদ্দিন উসমান বের কাছে এসে এমন বিদ্রোহ করার কারণ জিজ্ঞেস করেন। উসমান বে যে সত্যের জন্য এবং জালেমদের শেষ করার জন্য এমন করেছেন সেটি জানান।

উসমান বে যেহেতু জেলে বন্দি তাই প্রাসাদে অনেক নিরাপত্তা নেওয়া হয়। এবং শহরেও নিরাপত্তা দিয়ে ঘেরাও করে রাখা হয়। যাতে কেউ উসমান বে কে বাঁচাতে না পারে। সেদিন রাত পোহিয়ে সকাল বেলা সবাইকে প্রাসাদের উঠানে আয়োজন করে হত্যার জন্য তোলা হয়। ইসমিহান চাচ্ছিলো এই মৃত্যু সবাই দেখুক, যাতে কেউ আর বিদ্রোহ না করে।

এবং উসমান বে এর যে নাম রয়েছে তা একেবারে শেষ হয়ে যায়। তাই সে তৎক্ষণাৎ হত্যা না করে, জনগণের সামনে এবং বড় বড় কমান্ডারদের সামনে তাকে হত্যা করার জন্য এই পরিকল্পনা করে। সবার উপস্থিতিতে ইসমিহান এর আদেশে উসমান বে এবং সুলতান মাসুদ কে হত্যার জন্য জল্লাদদের সামনে আনা হয়

উসমান বে এবং সুলতান মাসুদ শেষ নিঃশ্বাস থেকে এর আগে কালেমায়ে শাহাদাত পড়ে নেন। এমন সময় উপস্থিত হন বালা হাতুন এবং এসরিগুন বানু হাতুন, এসরিগুন বানু হাতুন হচ্ছে গাজান খানের আধ্যাত্মিক মেয়ে, এবং তার সবচেয়ে সেরা কমান্ডার। মূলত এখানে আসার আগে উসমান বে একটি চিঠি গাজান খানের কাছে পাঠান, যেখানে তিনি পরিস্থিতি বিস্তারিত বলেন তাই, গাজান খান তার মেয়ের সমতুল্য এসরিগুন বানু হাতুন কে এখানে পাঠিয়েছে।


এবং বালা হাতুন তার সাথে সরইখানাই একত্রিত হয়। যেখানে এসরিগুন বানু হাতুন সেই সরাইখানার মালিকের ছেলেকে ডাকাতদের হাত থেকে বাঁচায়। যাইহোক, বালা হাতুন এবং এসরিগুন বানু হাতুন এসে উসমান বে কে উদ্ধার করে। এবং এদিকে আল্প দেরকে আগেই সুলতান মাসুদের অনুগত কমান্ডার কুর্কমাজের দুইজন সৈন্য তাদের হাতে ছোট লুকানো ছুরি ঢুকিয়ে দেয়।

যা দিয়ে তারা বাধন কেটে ফেলে এবং ময়দানে আক্রমণ নেমে পড়ে। এই যুদ্ধে উসমান বে কুড়াল দিয়ে যুদ্ধ করেন। যা দেখতে লেগেছিল অসাধারণ। এবং এইবার উসমান বে শত্রুদের সাথে জয়ী হোন এবং শত্রুদের খুব খারাপ ভাবে পরাস্ত করেন। ময়দানে টিকতে না পেরে সুলতান আলাউদ্দিন ও তার মা ইসমিহান সুলতান এবং নাইমান সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

এবং উসমান বে এবং গাজান খানের আদেশের সাহায্যে সুলতান মাসুদ সেলজুকদের সিংহাসনে বসেন। কিন্তু সুলতান মাসুদ এর আগে উসমান বে এর সাথে কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলেন, আর তা হচ্ছেঃ তিনি চান সেলজুকের যত শক্তি রয়েছে তা উসমান বে কে দিয়ে দিতে, এজন্য অনেক অস্ত্র অনেক গোলা নিক্ষেপ উসমান বে কে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে কমান্ডারদের করা নির্দেশ জারি করেন সুলতান মাসুদ। কোনিয়া থেকে গোলা নিক্ষেপ এবং অস্ত্র নিয়ে যখন সীমান্তের দিকে কমান্ডাররা এগোচ্ছিল তখন নাইমান ও বুরসা টেকফুর এর বাহিনী তা আক্রমণ করে শেষ করে দেয়, ফলে উসমান বের কপ্রিহিসার দুর্গ আক্রমণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু উসমান তার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ময় সৈন্যদের একসাথে নিয়ে দুর্গ আক্রমণ করেন এবং সৈন্যদের কোণঠাসা করে দূর্গের কমান্ডার কে হত্যা করেন।


এদিকে, উসমান বে যখন কোনিয়ায় তখন বুরসা টেকফুর সীমান্তের বসতিগুলোতে এক এক করে আক্রমণ করে। কার্গিন বসতি যার বে হচ্ছেন, উসমান বের নিজের ভাতিজা। এই কার্গিন বসতিতে বুরসা টেকফুর এক আগ্রাসন চালাই। যেখানে অগণিত মাজলুম আহত এবং নিহত হয়। অগণিত শিশু শহীদ হয় এবং আল চিচিক হাতুন, আয়শা হাতুন, বেঙ্গি হাতুন আহত হয়, ও উসমান বে এর ভাতিজা আকতেমুর খুব খারাপ ভাবে আহত হয়।

আকতেমুর মৃত্যুর সাথে লড়াই করে। কুমরাল আবদালের দক্ষ চিকিৎসায় সে কিছুটা জ্ঞানে আসে এবং মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে ফিরে আসে। এবং উসমান বে যখন আকতেমুর কে দেখতে আসেন, তখন আকতেমুর নিজেকে অনেক ছোট মনে করে। এবং তার চাচার কাছে ক্ষমা চায় কারণ, সে তার চাচার দেওয়া আমানত রক্ষা করতে পারেনি। সে মাজলুমদের রক্ষা করতে পারেনি।

এদিকে, সুলতান আলাউদ্দিন, নাইমান, ইসমিহান, টেকফুর ভ্যালেনস, এরা একসাথে পরিকল্পনা করার সিদ্ধান্ত নেই, এবং ইসমিহান সুলতান ও সুলতান আলাউদ্দিন নাইমানের সদর দপ্তর থেকে চলে যাই এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে যে, সে ভয়ংকর সৈন্যদের একসঙ্গে করে ফিরে আসবে। এবং নাইমান ও বুরসা টেকফুর একসঙ্গে খুশি উদযাপন করে উসমানকে এমন আঘাত দেওয়ার কারণে।

উসমান বে যখন কোনিয়া থেকে ফিরে আসে তখন তিনি সুসংবাদ পান, তিনি মূলত সুসংবাদটি মালহুন হাতুন থেকে শুনেন, আর তা হচ্ছে মালহুন হাতুন গর্ভবতী, অর্থাৎ উসমান বে আবার বাবা হতে চলেছেন। বিষয়টি শুনে খুবই হাস্যজ্জল চেহারায় খুশি হন উসমান বে, তিনি বলেনঃ আমি অনেক খবর পাই কিন্তু এটার মত খুশি আমি কোন কিছুতেই হইনি।

এ সকল ঘটনার মাধ্যমে কুরুলুস উসমান ১২৬ ভলিউমটি এখানে সমাপ্ত হয়, আমরা সামনের ভলিউম অর্থাৎ কুরুলুস উসমান ভলিউম ১২৭ এ দেখতে পাবো, নাইমান ও বুরসা টেকফুর কি পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চলেছে? উসমান বে কি কপ্রিহিসার দুর্গ জয় করে নিয়েছেন?

Server 1
Server 2


Please enter your comment!
Please enter your name here